নিজস্ব প্রতিবেদন: ভয়াবহ গঙ্গা ভাঙনে সর্বস্বান্ত সামসেরগঞ্জের ধানঘরা গ্রাম, বৃহস্পতিবার সেই গ্রাম ঘুরে দেখলেন জন প্রতিনিধিরা। এদিন গ্রামে যান বিধায়ক আমিরুল ইসলাম ও স্বাস্থ্য ও পরিবেশ কর্মাধ্যক্ষ আনারুল হক। নদী পারে ভাঙনের ভয়াবহতা কার্যত শিউড়ে ওঠার মতো। নদী পার ভাঙতে ভাঙতে গোটা গ্রামই জেন গঙ্গা গর্ভে তলিয়ে যাওয়ার উপক্রম। জন প্রতিনিধিদের দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন গ্রামের বাসিন্দারা। গঙ্গা ভাঙন এভাবে ভয়ানক আকার ধারন করার কিছুদিন আগেই সেচ দপ্তরের তরফে বাঁশের খাঁচা করে ভাঙন রোধের চেষ্টা শুরু হয়। অথচ গঙ্গায় জল বাড়ার সাথে সাথে সব পরিশ্রমই তলিয়ে যাচ্ছে। যে কোন সময়ে গোটা গ্রামটাই গঙ্গার গর্ভে বিলীন হয়ে যাওয়ার আশংকা। ভাঙন দুর্গতদের দুর্দশা দেখে বিধায়ক বলেন, গ্রামের বেশকিছু বাড়ি গঙ্গা গর্ভে তলিয়ে গিয়েছে, পুরো গ্রাম জুড়েই আতঙ্ক। গ্রামবাসীদের সহায়তা সবরকম ভাবে চেষ্টা করা হবে।
ধানঘরা গ্রামে দুর্গতদের কাছে যান স্বাস্থ্য ও পরিবেশ কর্মাধ্যক্ষ আনারুল হক বিপ্লব। গৃহহীন মানুষদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন তিনিও।
চোখের সামনে গঙ্গার তাণ্ডব দেখছেন ধানঘরা গ্রামের মানুষজন। যে কোন সময়ে ঘর বাড়ি তলিয়ে যাচ্ছে, আশংকায় ইটের বাড়িও ভেঙে ফেলছেন গ্রামবাসীরা। ঘর বাড়ি ছেড়ে পরিবার পরিজন নিয়ে দিশেহারা অবস্থায় মানুষজন। বিধায়কের তৎপরতায় এদিন দুর্গতদের খাবার ও ত্রান সামগ্রী বিতরণ করা হয়, একই সাথে খাবার বিতরণও করা হয় অসহায়দের। গঙ্গা ভাঙনে নিঃস্ব, ছিন্নমুল ধানঘরা গ্রাম জুড়েই হাহাকার। আর কত ভয়াবহ হতে পারে নদী, অভিশপ্ত ভাঙনে জেন হাঁপিয়ে উঠেছে ধানঘরা গ্রাম।







