এখন খবরমধ্যবঙ্গ নিউজপরিবেশবিনোদনহেলথ ওয়াচখেলাঘরে বাইরেলাইফস্টাইলঅন্যান্য

কান্দীতে বিএসএফ জওয়ানের উপর হামলায় জামিনযোগ্য ধারা কেন? শাসক দল বলে রেহাই! ন্যায় চাইছে পরিবার

Published on: December 13, 2020

মধ্যবঙ্গ নিউজ ব্যুরোঃ ১৩ ডিসেম্বরঃ বাহাত্তর ঘন্টা পার হলেও সঠিক ভাবে তদন্ত শুরু হয় নি কান্দীতে জওয়ানের উপর তৃণমূল কংগ্রেসের মিছিল থেকে হামলার। অভিযোগ করলেন আহত বিএসএফ জওয়ানের পরিবারের সদস্যরা। প্রশ্ন উঠছে, কান্দী থানার এফআইআর’এ জামিনযোগ্য ধারা দেওয়া নিয়েও। অভিযোগ, হামলাকারীরা শাসক দলের নেতা কর্মী হওয়াতেই লঘু ধারা দিয়ে এফআইআর করেছে কান্দী থানার পুলিশ। বিতর্ক চলছে রাজনৈতিক মহলেও।
কান্দিতে তৃনমূল কংগ্রেসের মিছিলের একাংশের হাতে গণ ধোলাইয়ে আহত বিএসএফ জওয়ান বিশ্বজিৎ সাহানির দোষীদের গ্রেপ্তারের দাবীতে কান্দিতে রবিবার বিক্ষোভে সামিল সেনা কর্মী থেকে যুবকরা । কান্দি বাসস্ট্যান্ডে তাদের সাথে যোগ দেন বিজেপি নেতা কর্মীরা।
কান্দি থানার পাশে শীতলা মন্দিরের সামনে দিয়ে তৃনমূল কংগ্রেসের মিছিলের সামনে এক বি এস এফ জওয়ান মোটর বাইক নিয়ে রাস্তা পেরোনোর সময় আক্রান্ত হন বলে অভিযোগ ওঠে শুক্রবার ।গণ পিটুনির এই ছবি ভাইরাল হতেই চাঞ্চল্য রাজনৈতিক মহলে। অভিযোগ ওই জওয়ান কে মিছিলের একাংশের লোক এসে মারধোর করে। তার বিরুদ্ধেও পাল্টা মারধোরের অভিযোগ তৃণমূলের। অভিযোগ দায়ের হয় কান্দী থানায়।
তবে জানা যায়, জামিনযোগ্য ধারাতে দায়ের হয়েছে অভিযোগ। বিশ্বজিৎ সাহানি নামে ওই বিএসএফ জওয়ান কান্দি হাসপাতালে ভর্তি হন। চিকিৎসকদের পরামর্শে, বর্তমানে বাড়িতেই আছেন তিনি। পরিবারের সদস্যরা জানান, আঘাত গুরুতর; চলাফেরা করতে পারছেন না ওই জওয়ান।
বিজেপি নেতা গৌরীশংকর ঘোষের দাবি, শাসক দলের ইশারাতেই কাজ করেছে পুলিশ। নেতাদের নির্দেশমতোই দেওয়া হয়েছে লঘু ধারা।
একই সুর স্থানীয় কংগ্রেস নেতাদের মুখেও।
যদিও সব অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে অভিযুক্ত তৃণমূল কংগ্রেস নেতারা। কান্দির স্থানীয় তৃনমূল নেতা শাশ্বত মুখার্জি বলেন এই ঘটনা হয়তো না ঘটলেই ভালো হত, বিষয়টি নিজেদের মধ্যেই মিটিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
যদিও দলের কো অর্ডিনেটর অশোক দাসের কথায়, বিষয়কে অতিরঞ্জিত করা হচ্ছে।
এদিন বিকেলে আহত বিএসএফ জওয়ানের বাড়ি যান কান্দী পৌরসভার প্রশাসক অপূর্ব সরকার। তৃণমূল কংগ্রেস সূত্রের খবর, ঘটনার জন্য আহত জওয়ানের কাছে ক্ষমাও চান তিনি।
তবে, অভিযুক্তদের কড়া শাস্তির দাবিতে অনড় থাকছেন আহত জওয়ানের পরিবারের সদস্যরা। তবে ‘ন্যায় বিচারের আশার আলো দেখতে পাচ্ছি না’, আক্ষেপ আহত জওয়ানের দাদা রাজেশ সাহানি’র । তিনিই জানান, বাড়ি বা হাসপাতালে এসে দেখার করার সময় পান নি পুলিশের অফিসারেরা। কেন দেওয়া হল জামিনযোগ্য ধারা, প্রশ্ন তারও।

Join WhatsApp

Join Now

Join Telegram

Join Now