“এই তো দাদা, মাংসটা নিয়ে নিই। রবিবার দিন তো !”, ঘড়িতে তখন দশটা পার, শোনালেন মধ্যবয়স্ক সরকারী কর্মচারী। পাশথেকেই ষাট পেরোনো প্রতিবেশীর সদর্প ঘোষণা, “ আরে বাজার তো করতেই হবে। ঘড়ি দেখে বাজার করবো নাকি । আগে কেনাকাটি করি তারপর দেখছি ”। কেউ আবার আরেকধাপ এগিয়ে বিড়ি ধরালেন ভরা বাজারেই। সুখটানে সারলেন রবিবারের বাজার।
প্রশাসনের নির্দেশ ছিল, সকাল দশটা বাজতেই বন্ধ করে দিতে হবে সবজি বাজার, মাছের বাজার, মাংসের দোকান। কিন্তু দশটা পেরোনোর পরেও দেখাগেল চূড়ান্ত অসচেতনতার ছবি।
জেলায় প্রতিদিন বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে , ভিড় কমাতে। বহরমপুর, কান্দী সহ একাধিক এলাকায় সবজি বাজার সকাল ১০ টা বন্ধ করার নির্দেশ জারি করেছে প্রশাসন।
সংক্রমণের বাড়বাড়ন্তকে অবহেলা করেই রবিবার শহরের বাজারে জমে ভিড়। দশটা পেরোলেও কেনাবেচা চলেছে বেশ কিছু জায়গাতেই।
দোকান বন্ধ করে নামতে হয় পুলিশকেও। বাজারে বাজারে ঘুরে দোকান বন্ধের নির্দেশ দেন পুলিশকর্মীরা। পুলিশের দেখাপাওয়ার পরেই কেনাকাটা বন্ধ করেন অনেক ব্যবসায়ীই।
প্রশ্ন উঠছে, শহরের মানুষের ঘুম ভাঙবে কবে ?











