নিজস্ব প্রতিবেদনঃ ২৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি করতে হবে আলু- এই নির্দেশিকা মতো বাজারে বাজারে পরিদর্শন চলেছে প্রশাসনিক কর্তাদের। বহরমপুরের বাজারেও চলেছে পরিদর্শন। অনেকেই ভেবেছিলেন এবার হয়তো আলুর দাম কমবে। কিন্তু তা আর হচ্ছে কই। আলু আজ চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে আম জনতার। বহরমপুরের স্বর্ণময়ী বাজারে বুধবার আলুর দর- দেখে মাথায় হাত ক্রেতাদের। এদিন স্বর্ণময়ী বাজারে জ্যোতি আলু ৩৫ টাকা কেজি, চন্দ্রমুখী আলো ৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়। কেন সরকার নির্ধারিত দামে অর্থাৎ ২৫ টাকা কেজি দরে আলু বিক্রি করছেন না বিক্রেতারা? উত্তরে বিক্রেতারা বলছেন অন্য কথা। তাদের দাবি,
পাইকারি বাজারে চন্দ্রমুখি আলু ৫০ কিলো বস্তার দাম ১৮০০ টাকা এবং আনতে ভাড়া লাগছে আরও ২০ টাকা। খুচরো বাজারে তা বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা কেজি দরে এবং জ্যোতি আলু ৫০ কিলো বস্তার দাম ১৫৩০ টাকা এবং ভাড়া বাবদ লাগছে আরও ২০ টাকা, যা বিক্রি হচ্ছে ৩৫ টাকায়। বিক্রেতারা বলছেন, তারা নিরুপায়।
বাজারে অন্যান্য শাক সব্জির সাথে মাস্ট ছিল আলু। কিন্তু সেই আলুই এখন কেনার আগে দু বার ভাবতে হচ্ছে ক্রেতাদের। কিনলেও পরিমাণে নিচ্ছেন কম। ক্রেতারা বলছেন, করার কিছুই নেই। প্রশাসনের নজরদারি প্রয়োজন।
করোনা আবহে এমনিতেই সমস্ত সব্জির দাম চড়া। সাথে রাশ টানা যাচ্ছে না আলুর দামে। সামনেই আসছে উৎসবের মরশুম। আলুর দাম নিয়ন্ত্রনে আনতে সরকারি ভাবে কড়া কোন পদক্ষেপ নেওয়া কি হবে না? প্রশ্ন আম জনতার।










