আল কায়দা জঙ্গি সন্দেহে দুই ভাই গ্রেপ্তার জলঙ্গীতে

নিজস্ব প্রতিবেদনঃ এক ভাই মুর্শিদাবাদের জলঙ্গিতে অন্য ভাই কেরালায়? দুই ভাইকে আল কায়দা জঙ্গি সন্দেহে গ্রেপ্তার করল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা। শনিবার সকাল থেকে এই নিয়ে তোলপাড় মুর্শিদাবাদের জলঙ্গি। রাজ্যে আল কায়দা যোগ? কেরালার এরনাকুলাম থেকেও গ্রেপ্তার এই রাজ্যের ৩ জন। মুর্শিদাবাদ থেকে গ্রেপ্তার ৬ জন। দিল্লী সহ বিভিন্ন জায়গায় হামলার ছক ছিল বলেই প্রাথমিক ভাবে জানা যাচ্ছে। শনিবার ভোর রাতে এন আই এ বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালায়। মুর্শিদাবাদের জলঙ্গির উত্তর ঘোষপাড়া থেকে আল কায়দা জঙ্গি সন্দেহে গ্রেপ্তার করা হয় আতিউর রহমানকে। বছর ২৪ এর আতিউর রহমানকে গ্রেপ্তারের পাশাপাশি বাড়ি থেকে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে অ্যানড্রয়েড ফোন, সিম কার্ড। গোটা বাড়িতেই তল্লাশির সেই চিহ্ন স্পষ্ট। ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে জিনিসপত্র। মুর্শিদাবাদের পাশাপাশি কেরালার এরনাকুলামে যে ৩জন গ্রেপ্তার হয়েছে তাদের মধ্যে ধৃত মোশারফ হোসেন এই বাড়িরই ছেলে। কেরালা এবং মুর্শিদাবাদ- দুই জায়গা থেকেই দুই ভাইকে জঙ্গি যোগে গ্রেপ্তার করার ঘটনায় জলঙ্গির উত্তর ঘোষপাড়ায় শুনশান এলাকা। আতিউর রহমানের বাড়িতে বৃদ্ধ বাবা মা। মোট সাত ভাই এক বোন। আতিউর রহমান WBCS এর কোচিং নিচ্ছিল। করিমপুরে একটি কলেজে পড়ত সে। দুঃস্থ পরিবারের মেধাবী ছাত্র হিসেবেই পরিচিত ছিল আতিউর। বাবা কৃষিজীবী, ছোট একচিলতে ঘরেই বৃদ্ধ বাবা মা, ভাইয়েরা বসবাস করত। জানা যায়, আতিউর রহমান বাড়িতেই থাকত বাবা মায়ের সাথে। আর এক ছেলে মোশারফ হোসেন কেরালায় শ্রমিকের কাজ করত। আচমকা এই তল্লাশি, গ্রেপ্তারে কি বলছে ধৃতদের পরিবার? ধৃতদের বাবা বলেন, ঘরে তল্লাশি চালানো হয়। নির্দোষ ছেলেদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলেই দাবি করেন তিনি।

পরিযায়ী শ্রমিক- উপার্জনের জন্য ভিন রাজ্যে পাড়ি। কিন্তু সেখানে কিভাবে জঙ্গি সংগঠনের সাথে যুক্ত হলেন? একাধিক প্রশ্ন উঠছে। যদিও ধ্রতদের মা ছেলেদের নির্দোষ প্রমান করে ফিরে পেতে চাইছেন।